কল সেন্টার : ১৬৪৯৬ EN
    mujib_logo
প্রি-পেইড মিটার সংক্রান্ত অভিযোগ: ০১৭০৩৭২৯৫০৫, ০১৭০৩৭২৯৪৫১, ০১৭০৩৭২৯৩৮৯, ০১৭৮৮৫৬৮২৭৬, ০১৭৮৮৫৬৭২৯৬, ০১৩০০২৮৭৫২০ (২৪ ঘন্টা) , উপব্যবস্থাপক-০১৯৫২২৭৭৩৫৭, ব্যবস্থাপক-০১৯৫২২৭৭৩৭৯, প্রকল্প পরিচালক- ০১৯৫৮০৯৫২৮০, জরুরী গ্যাস নিয়ন্ত্রণ শাখা- দক্ষিণ: অভিযোগ কেন্দ্র (ঢাকা দক্ষিণ) - ০১৯৫৫৫০০৪৯৯, ০১৯৫৫৫০০৫০০, ২২৩৩৮৩৬৬৭, ২২৩৩৮৩৬৬৮ (২৪ ঘন্টা), ব্যবস্থাপক- ০১৯৫২২৭৭৪১২, জরুরী গ্যাস নিয়ন্ত্রণ শাখা-উত্তর: অভিযোগ কেন্দ্র (ঢাকা উত্তর)- ০১৯৫৫৫০০৪৯৭, ০১৯৫৫৫০০৪৯৮, ৫৫০৪৫১১৩, ৫৫০৪৫১১৪ (২৪ ঘন্টা), ব্যবস্থাপক- ০১৯৩৯৯২১০২৬, উপমহাব্যবস্থাপক (জরুরী গ্যাস নিয়ন্ত্রণ বিভাগ)- ০১৯৩৯৯২১১৭৩। গ্যাস সংক্রান্ত যে কোন তথ্য/ অভিযোগের জন্য তিতাস গ্যাস কল সেন্টার নম্বর 09612316496 বা 16496 এ যোগাযোগ করা যাবে। দুর্নীতি দমন কমিশন হটলাইন নম্বর ১০৬ ‘মুজিব বর্ষ’ উপলক্ষ্যে তিতাস গ্যাসের লক্ষ্য “অবৈধ সংযোগ মুক্ত গ্যাস বিতরন ব্যবস্থা” করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য বা স্বাস্থ্যসেবা পেতে কল করুন ৩৩৩ অথবা ১৬২৬৩ নম্বরে এবং ভিজিট করুন corona.gov.bd উৎসে আয়কর কর্তনকারী গ্রাহক ব্যতীত সকল মিটারযুক্ত গ্রাহক ও মিটারবিহীন আবাসিক গ্রাহক মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (বর্তমানে 'রকেট', ’নগদ’ ও 'বিকাশ') এর মাধ্যমে গ্যাস বিল পরিশোধ করতে পারবেন। ১ অক্টোবর ২০২০ হতে আইসিবি ইসলামী ব্যাংকে গ্যাসবিল গ্রহণ অনিবার্য কারন বশতঃ বন্ধ রাখা হয়েছে।
স্বাস্থ্য, পরিবেশ ও নিরাপত্তা সম্পর্কিত কার্যক্রম :
পরিবেশ বান্ধব জ্বালানী হিসেবে প্রাকৃতিক গ্যাস অন্যতম। অর্থনৈতিক উন্নয়নে এবং পরিবেশ সংরক্ষণে প্রাকৃতিক গ্যাস দেশের গুরুত্বপূর্ণভূমিকা রেখে চলেছে। প্রাকৃতিক গ্যাসের নিরাপদ ব্যবহার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বিধায় সিস্টেম পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজে নিয়োজিত জনবলের স্বাস্থ্যগত নিরাপত্তা এবং কোম্পানির গ্যাস পাইপলাইন ও স্টেশন ডিজাইনসহ বিভিন্ন স্থাপনাসমূহের নিরাপত্তা ও পরিবেশগত কার্যক্রম যথেষ্ট গুরুত্ব বহন করে। স্বাস্থ্য, পরিবেশ ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য:
সরকার ঘোষনা মোতাবেক নির্ধারিত হারে সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের চিকিৎসা ভাতা প্রদান করা হয়। কোম্পানির চিকিৎসকগণ কর্মকর্তা-কর্মচারী ও পোষ্যদের চিকিৎসা সেবা প্রদান করে থাকেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের সঙ্গে কোম্পানির চুক্তি অনুযায়ী কোম্পানির ব্যয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পোষ্যদের বহিঃবিভাগ, অন্ত্মঃবিভাগ ও জরুরী বিভাগে চিকিৎসা সেবা দিয়ে থাকে। তাছাড়াও কোম্পানি কর্তৃক নির্ধারিত আরও ১৮টি হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়ে থাকে।
পরিবেশ:
প্রাকৃতিক গ্যাস বাতাসে নিঃসরণে কার্বন-ডাই অক্সাইড/কার্বন-মনো অক্সাইড অপেক্ষা ২২গুন ওজন স্তরকে ক্ষতি করে ফলে বৈষ্যয়িক উষ্ণতা বৃদ্ধি পায় এবং পরিবেশের উপর বিরাট প্রভাব পড়ে। সেই দিক বিবেচনায় এবং গ্যাসের অপচয় রোধে সিস্টেম পরিচালন ও রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রমের সময় বাতাসে গ্যাস নিঃসরণের পরিমান ন্যূনতম রাখা হয়। সঞ্চালন ও বিতরণ প্রকল্প বাস্ত্মবায়নের সময় তিতাস গ্যাসের কর্মকান্ড যেন পরিবেশের উপর  ক্ষতিকর প্রভাব না ফেলে সে লক্ষে পরিবেশ অধিদপ্তরের নিয়ম-কানুন যথাযথবাবে অনুসৃত হচ্ছে। গ্যাস পাইপলাইনের রম্নট নির্ধারণের সময় বিদ্যমান বাড়ী-ঘর, গাছ-পালা, মসজিদ, মন্দির, কবরস্থান প্রভৃতির যেন ন্যূনতম ক্ষতিও এড়ানো সম্ভব হয় সে বিষয়ে মনোযোগ দেয়া হচ্ছে। কোম্পানির নিজস্ব স্থাপনা সমূহে খোলা জায়গায় সৌন্দর্য বর্ধনে গাছের চারা রোপন এবং রোপিত চারা গাছের নিয়মিত পরিচর্যা করা হচ্ছে। যে সকল গ্যাস স্টেশন হতে কনডেনসেট সংগ্রহ করা হয়, কনডেনসেট সংগ্রহ ও পরিবহনকালে কোন স্পিলেজ যাতে না ঘটে তা নিশ্চিত করার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা গ্রহণ করা হয়। অডোরেন্ট চার্জ করার সময় যেন বাতাসে তা নিঃসরণ না হয় তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।
নিরাপত্তা:
বাংলাদেশ প্রাকৃতিক গ্যাস নিরাপত্তা বিধিমালা ও পরিবেশ সংক্রান্ত্ম বিধিমালা পাইপলাইন নির্মাণ এবং সিস্টেম পরিচালনের সর্বক্ষেত্রে কঠোরভাবে অনুসরণের মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের উপর গুরুত্ব প্রদান করা হয়। ফলে কোম্পানির জন্মলগ্ন হতে এযাবৎকাল পাইপলাইন সিস্টেম নির্বিঘ্নভাবে পরিচালিত হয়ে আসছে। সিস্টেম পুরোনো বলে মাঝে মধ্যে গ্যাস লিকেজ দেখা দিলে তা তাৎক্ষণিকভাবে মেরামত করা হয়। সঞ্চালন ও বিতরণ পাইপলাইনের নির্বিঘ্ন পরিচালন নিশ্চিতকল্পে কোন পাইপলাইনের রাইট-অব-ওয়েতে কোন ধরণের স্থাপনা নির্মাণ,গ্যাস লিকেজ, অন্যান্য সংস্থার উন্নয়ন কাজে পাইপলাইনের কোন ক্ষতি না হয় সে জন্য নিয়মিত টহলের ব্যবস্থা রয়েছে। গ্যাস স্থাপনা সমূহের সম্ভাব্য গ্যাস ও কনডেনসেট লিকেজের বিষয় নিয়মিত পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় নিবারণমূলক রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম সময় সময় গৃহীত ও সম্পাদিত হয়ে থাকে। পাইপলাইনের করোশন নিবারণকল্পে সিপি সিস্টেম স্থাপন ও পরিচালনের মাধ্যমে মাসিক ভিত্তিতে সিপি স্টেশন পরিদর্শন এবং প্রতি তিন মাস অন্ত্মর অন্ত্মর পি.এস.পি. রিডিং গ্রহণ, বিশেস্নষণ ও মনিটরিং করা হয়। অগ্নি নির্বাপক সরঞ্জাম (কার্বন-ডাই অক্সাইড/ড্রাই গ্যাস পাউডার) প্রয়োজন মোতাবেক স্থাপন ও ব্যবহার করা হয়। প্রাকৃতিক গ্যাস নীতিমালা লংঘনক্রমে কোন গ্রাহক কর্তৃক অবৈধভাবে রাইজার স্থানান্ত্মরসহ অন্যান্য কার্যক্রমের দ্বারা সংঘটিত দূর্ঘটনার ক্ষেত্রে সংশিস্নষ্ট থানায় জিডি করাসহ প্রধান বিস্ফোরক পরিদর্শকের দপ্তরকে অবহিত করা হয়। গ্যাস দূর্ঘটনা এড়ানোর লক্ষে গ্রাহক সচেতনতা বৃদ্ধির জন্যে বিভিন্ন সময়ে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় বিজ্ঞাপন প্রচারের মাধ্যমে অবহিত করা হয়। সিস্টেম পরিচালন ব্যবস্থায় যাতে কোন ক্রটি-বিচ্যুতি না হয় বা দূর্ঘটনা না ঘটে সে লক্ষে কোম্পানির উদ্যোগে এবং পেট্রোবাংলা সার্বিক তত্ত্বাবাধনে প্রতিবছর ১বার কোম্পানির বেশীরভাগ গুরম্নত্বপূর্ণ স্টেশনসমূহের সেইফটি অডিটিং কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। এছাড়াও কোম্পানির সংশিস্নষ্ট শাখা কর্তৃক বার্ষিক কর্মসূচী অনুযায়ী প্রতিমাসে স্টেশনসমূহের সেইফটি অডিটিং ইন্সপেকশন করা হয়।
জরূরী কল সংক্রান্ত তথ্যাবলী:
কোম্পানির নিয়ন্ত্রনাধীন মতিঝিলে ২৪ঘন্টা ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় জরম্নরী গ্যাস নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রসহ ঢাকা সেনানিবাস, পোস্ত্মগোলা এবং মিরপুরে জরম্নরী নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র রয়েছে। সম্ভাব্য সকল দূর্ঘটনা মোকাবেলা এবং সম্মানিত গ্রাহকদের আঙ্গিনায় নিরাপদ ও সুষ্ঠু গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্যে সকলে উপস্থিত হয়ে প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করা হয়।
২০১২-২০১৩ এবং ২০১৩-২০১৪ অর্থবছরে গৃহীত জরুরী কলের সংখ্যা তথা জরুরী দল কর্তৃক গ্রাহক আঙ্গিনায় উপস্থিতির পরিসংখ্যান নিম্নরূপঃ

কলের ধরণ

২০১২-২০১৩

২০১৩-২০১৪

অগ্নি দুর্ঘটনা

১৫৯

২০৭

গ্যাস লিকেজ

৪,২৬৬

৩,৭৭৭

গ্যাসের স্বল্প চাপ

৬৬

১১৪

গ্যাস নেই

৬২৭

৯৪৭

অন্যান্য

২৪৪

৪০৬

মোট

৫,৩৬২

৫,৪৫১

Top