কল সেন্টার : ১৬৪৯৬ EN
    mujib_logo
জরুরী যোগাযোগ নম্বরঃ ঢাকা (দক্ষিন) - ২২৩৩৮৩৬৬৭, ২২৩৩৮৩৬৬৮, ২২৩৩৮৩৬৭০, ০১৯৩৯৯২১১৭৩, ০১৯৫২২৭৭৪১২, ০১৯৫৫৫০০৪৯৯, ০১৯৫৫৫০০৫০০, মতিঝিল টিম- ০১৯৫৫৫০০১৮৮, ০১৯৫৫৫০০১৮৯, পোস্তগোলা টিম- ০১৯৫৫৫০০১৯০, ০১৯৫৫৫০০১৯১, ঢাকা (উত্তর)- ৫৫০৪৫১১৩, ৫৫০৪৫১১৪, ০১৯৩৯৯২১১৭৩,০১৯৩৯৯২১০২৬, ০১৯৫৫৫০০৪৯৭, ০১৯৫৫৫০০৪৯৮, ধানমন্ডি টিম- ০১৯৫৫৫০০১৯৪, গুলশান টিম- ০১৯৫৫৫০০১৯২, মিরপুর টিম- ০১৯৫৫৫০০১৯৩, প্রিপেইড গ্যাস মিটার প্রকল্প- ০১৭০৩৭২৯৫০৫, ০১৭০৩৭২৯৪৫১, ০১৭০৩৭২৯৩৮৯ গ্যাস সংক্রান্ত যে কোন তথ্য/ অভিযোগের জন্য তিতাস গ্যাস কল সেন্টার নম্বর 09612316496 বা 16496 এ যোগাযোগ করা যাবে। দুর্নীতি দমন কমিশন হটলাইন নম্বর ১০৬ ‘মুজিব বর্ষ’ উপলক্ষ্যে তিতাস গ্যাসের লক্ষ্য “অবৈধ সংযোগ মুক্ত গ্যাস বিতরন ব্যবস্থা” করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য বা স্বাস্থ্যসেবা পেতে কল করুন ৩৩৩ অথবা ১৬২৬৩ নম্বরে এবং ভিজিট করুন corona.gov.bd উৎসে আয়কর কর্তনকারী গ্রাহক ব্যতীত সকল মিটারযুক্ত গ্রাহক ও মিটারবিহীন আবাসিক গ্রাহক মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (বর্তমানে 'রকেট', ’নগদ’ ও 'বিকাশ') এর মাধ্যমে গ্যাস বিল পরিশোধ করতে পারবেন। ১ অক্টোবর ২০২০ হতে আইসিবি ইসলামী ব্যাংকে গ্যাসবিল গ্রহণ অনিবার্য কারন বশতঃ বন্ধ রাখা হয়েছে।

১৯৬২ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিতাস নদীর তীরে বিরাট গ্যাস ক্ষেত্র আবিষ্কৃত হওয়ার সাথে সাথে বাংলাদেশে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহারে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হয়। ১৯৬৪ সালের ২০ নভেম্বর তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিসন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড জন্মলাভ করে তার ৫০ বছর পূর্ণ করেছে। তৎকালীন সরকারি প্রতিষ্ঠান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা কর্তৃক ১৪″ব্যাস সম্পন্ন ৫৮ মাইল দীর্ঘ তিতাস-ডেমরা সঞ্চালন পাইপলাইন নির্মাণের পর ১৯৬৮ সালের ২৮ এপ্রিল সিদ্ধিরগঞ্জ তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে গ্যাস সরবরাহের মাধ্যমে কোম্পানী বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করে। ১৯৬৮ সালের অক্টোবর মাসে বিশিষ্ট কথা সাহিত্যিক জনাব শওকত ওসমান-এর বাসায় প্রথম আবাসিক গ্যাস সংযোগ প্রদান করা হয়। একটি প্রগতিশীল জাতীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে তিতাস গ্যাস তার সেবার মাধ্যমে জনগণের আস্থাভাজন হবার গৌরব অর্জন করেছে। এ প্রতিষ্ঠানের সর্বস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরলস পরিশ্রম ও আন্তরিক প্রচেষ্টার ফলেই সম্ভব হয়েছে এ গৌরবময় সাফল্য অর্জন।

বাংলাদেশের মত একটি উন্নয়নশীল দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থা সুদৃঢ় করতে তিতাস গ্যাস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। এমনকি প্রাকৃতিক গ্যাসের কাক্সিক্ষত ব্যবহার নিশ্চিত করে বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। গ্যাস বিতরণ কোম্পানীসমূহের আগ্রদূত হিসেবে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে তিতাস গ্যাসের অবদান এর অনির্বাণ শিখার মতই দীপ্তমান। ২০১৪ সালের ১৯ নভেম্বর তিতাস গ্যাস কোম্পানীর ৫০ বছর পূর্ণ হয়েছে। কালের যাত্রা পথে দীর্ঘ ৫০ বছর ধরে দেশ ও জাতির সার্বিক কল্যাণ সাধনে একটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে তিতাস গ্যাস তার কর্মকান্ড পরিচালনা করে আসছে। বাংলাদেশের প্রধান ও পরিবেশ বান্ধব জ্বালানী প্রাকৃতিক গ্যাস গ্রাহকের দোরগোড়ায় সরবরাহ করে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সমৃদ্ধি ও প্রগতির লক্ষ্যকে ধারণ করে তিতাস গ্যাস ৫০ বছরের পথ পেরিয়ে এগিয়ে যাবে সামনের দিকে।

কোম্পানী গঠনের শুরু থেকে ৯০% শেয়ারের মালিক ছিল তৎকালীন সরকার এবং ১০% শেয়ার-এর মালিক ছিল শেল অয়েল কোম্পানী। ১৯৭২ সালের জাতীয়করণ আদেশের অধীনে সব সরকারি মালিকানাধীন কোম্পানি উল্লিখিত পরিমাণ শেয়ারের মালিকানা স্বত্ব বাংলাদেশ সরকারের উপর ন্যস্ত হয়। অবশিষ্ট ১০% শেয়ার ৯ আগস্ট ১৯৭৫ তারিখে শেল অয়েল কোম্পানীর সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের চুক্তি অনুযায়ী ১.০০ (এক লক্ষ) পাউন্ড-স্টার্লিং পরিশোধের বিনিময়ে পেট্রোবাংলার মাধ্যমে সরকারি মালিকানায় স্থানান্তরিত হয়। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জনের পর এ কোম্পানী শুরুতে ১.৭৮ কোটি টাকা অনুমোদিত ও পরিশোধিত মূলধন সহযোগে একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানীতে রূপান্তরিত হয়ে রাষ্ট্রীয় সংস্থা পেট্রোবাংলার অধীনে ন্যস্ত হয়। বর্তমানে কোম্পানীর অনুমোদিত ও পরিশোধিত মূলধন যথাক্রমে ২,০০০.০০ কোটি ও ৯৮৯.২২ কোটি টাকা।

কোম্পানীর মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে তিতাস অধিভুক্ত এলাকায় অবস্থিত বিভিন্ন শ্রেণির গ্রাহকদের মধ্যে কৃতিক গ্যাস বিতরণ করা। এ উদ্দেশ্যে গ্যাস পরিবহন ও বিতরণের জন্য পাইপলাইনসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক গ্যাস স্থাপনা নির্মাণ, পরিচালন ও রক্ষণাবেক্ষণ কার্যাবলী এ কোম্পানীর দায়িত্ব। তিতাস গ্যাস বর্তমানে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, গাজীপুর, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, জামালপুর, শেরপুর, নরসিংদী, নেত্রকোনা, ও কিশোরগঞ্জ জেলায় গ্যাস সরবরাহের দায়িত্বে নিয়োজিত।

Top