কল সেন্টার : ১৬৪৯৬ EN
কোম্পানির নাম : তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (টিজিটিডিছিএল)
কার্যক্রম শুরুর তারিখ : নভেম্বর ২০, ১৯৬৪
নিবন্ধিত অফিস : তিতাস গ্যাস ভবন, ১০৫ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, ঢাকা-১২১৫ কাওরান বাজার বাণিজ্যিক এলাকা.
কর্পোরেশন  : বাংলাদেশ তৈল, গ্যাস ও খনিজ কর্পোরেশন(পেট্রোবাংলা)
প্রশাসনিক মন্ত্রণালয় : বিদুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়
তিতাস অধিভূক্ত এলাকা : বৃহত্তর ঢাকা ও বৃহত্তর ময়মনসিংহ
প্রথম পাইপলাইন নির্মিত : ডেমরা ১৪ ব্রাহ্মণবাড়িয়া "ডিএন এক্স১০০ পিএসআইজি এক্স ৫৮ মাইলস
প্রথম গ্যাস সরবরাহ : এপ্রিল ২৮, ১৯৬৮ সিদ্ধিরগঞ্জ তাপবিদ্যুত কেন্দ্র থেকে
অনুমোদিত মূলধন       : ২,০০০.০০কোটি টাকা।
পরিশোধিত মূলধন(২০১৭ সালে ৩০ জুন অনুসারে)   : ৯৮৯.২২কোটি টাকা।
গ্যাস বিক্রয় (অর্থবছরে ২০১৬-১৭) : ১৭,০১৮.৯৯ এমএমছিএম
সেলস রাজস্ব (অর্থবছরে ২০১৬-১৭) : ১২,৪২৬.৯৬ কোটি টাকা
জাতীয় রাজস্ব আদায় : ৫২৭.২২ কোটি টাকা
(২০১৭ জুন ৩০ অনুসারে) ক্রেতাদের সংখ্যা: মোট ২৭,৩৪,৫৩৪
পাওয়ার (সরকার.)   ০৭ টি 
পাওয়ার (ব্যক্তিগত)  ৩৬ টি
সার  ০৩ টি
শিল্প  ৪,৬১০ টি 
সিএনজি ৩৩৫ টি
ক্যাপটিভ পাওয়ার  ১০৮৮ টি
বাণিজ্যিক  ১০,৯১৯ টি
আবাসিক ২৭,১৭,৫৩৬ টি 
নির্মিত পাইপলাইন(২০১৭ সালের জুন ৩০ অনুসারে): ১৩,০৫৬.৪২ কিমি 
সেলস মার্কেট শেয়ার:  ৬১%
গ্যাস সরবরাহ (ক্ষেত্র) উৎস : তিতাস,হবিগঞ্জ,নরসিংদী,কৈলাসটিলা,বিবিয়ানা,মৌলভীবাজার,শ্রীকাইল এবং বাংগুরা গ্যাস ক্ষেত্র।
জনশক্তি (২০১৭ সালের জুন ৩০ অনুসারে): ২,২৫২
কর্মকর্তা :  ৯৮৭
কর্মচারী: ১,২৬৫
প্রধান নির্বাহী : প্রকৌশলী মীর মশিউর রহমান
ডিএসই সঙ্গে তালিকাভুক্ত : জুন ৯, ২০০৮
সিএসই সঙ্গে তালিকাভুক্ত : জুন ১৯, ২০০৮

 

১৯৬২ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিতাস নদীর তীরে বিরাট গ্যাস ক্ষেত্র আবিষ্কৃত হওয়ার সাথে সাথে বাংলাদেশে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহারে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হয়। ১৯৬৪ সালের ২০ নভেম্বর তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিসন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড জন্মলাভ করে আজ ৫০ বছর পূর্ণ করেছে। তৎকালীন সরকারি প্রতিষ্ঠান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা কর্তৃক ১৪″ব্যাস সম্পন্ন ৫৮ মাইল দীর্ঘ তিতাস-ডেমরা সঞ্চালন পাইপলাইন নির্মাণের পর ১৯৬৮ সালের ২৮ এপ্রিল সিদ্ধিরগঞ্জ তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে গ্যাস সরবরাহের মাধ্যমে কোম্পানী বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করে। একটি প্রগতিশীল জাতীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে তিতাস গ্যাস তার সেবার মাধ্যমে জনগণের আস্থাভাজন হবার গৌরব অর্জন করেছে।

 

Top